Kothay Tip!!!

Did you know your participation in Blog posts can get you points? Create, Like, and Comment to increase your points!!! Also, get a chance to win exciting prizes by participating in the kothay competition. Click here for more! Register or Sign in now to enjoy!!!




Categories

RECENT ACTIVITIES
View All
June 23, 2012, 7:47 p.m.  pagla updated the blog: শার্লক হোমস এর গোয়েন্দাগিরি     View
June 22, 2012, 6:14 p.m.  pagla created a blog: শার্লক হোমস এর গোয়েন্দাগিরি and gained 5 points     View

শার্লক হোমস এর গোয়েন্দাগিরি

Posted by pagla on on April 28, 2012, 1 a.m.  

“বুঝলে ওয়াটসন,গোয়েন্দাগিরিতে সবচেয়ে জরুরী হল পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা।যে গোয়েন্দা অপরাধীর চিন্তা ভাবনার যত যত কাছাকাছি যেতে পারবে সমাধান ও তত দ্রুত করতে পারবে।” বেকার স্ট্রীটের সেই বাড়িতে নিজ কামরায় বসে আছে শার্লক হোমস আর তার সহকারী ওয়াটসন।হোমস এর ঠোটে চুরুট জ্বলছে, হাতে মগ ভর্তি কফি।চুরুট আর কফির ধুঁয়ায় হোমসের মুখটা স্পষ্ট দেখতে পারছেনা ওয়াটসন। এ কারনেই কথাগুলো আরো রহস্যময় লাগছে তার কাছে। “তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন কোন অপরাধ ঘটলে,সেই স্থানে না গিয়ে শুধুমাত্র অপরাধীর মত চিন্তা করেই তা বের করে ফেলা সম্ভব?” প্রশ্ন করে ওয়াটসন।“ হ্যা, অনেক সময় অপরাধ স্থলে বেশ কিছু সূত্র পাওয়া যায়,তবে অপরাধস্থলে না গিয়ে যে সেটা সমাধান করা যাবে না, তাতো আর ঠিক না” উত্তর হোমসের।

ওয়াটসন প্রশ্ন করে “আচ্ছা, বাংলাদেশ এর ঢাকায় তো এখন অনেক রহস্যময় ঘটনা ঘটছে, আমারা কি এখান থেকেই সমাধান করতে পারি তাহলে?” “কেন নয়? ওয়াটসন, প্রথমেই আস জোড়া সাংবাদিক খুনের ব্যাপারটা। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা কর পুরো ব্যাপারটা, কি মনে হয় তোমার?” জিজ্ঞাসা করে হোমস।“ উমম আসলে ব্যাপারটা অনেক রহস্যময়,ওরা বেডরুমে ছিলো, আর বাংলাদেশ সরকারতো বেডরুমের পাহারা দেয় না। তা ছাড়া রান্নাঘরে একটা শিক মনে হয় ভাঙ্গা ছিল যাদিয়ে বিড়াল ছাড়া অন্য কিছু ঢুকতে পারবেনা।আর বাসায় ছিল ওদের চ্ছোট্ট ছেলে। তো আপনি কাকে সন্দেহ করছেন ছেলেকে না বিড়ালকে?” উত্তর দেয় ওয়াটসন।

“কাউকেই না, “ডুয়েল” কি জানো?” প্রশ্ন করে হোমস। “হুম জানবোনা কেন, দুইজনের মুখমুখি যুদ্ধ তলোয়ার বা বন্দুক দিয়ে।” বলে ওয়াটসন। হোমস ব্যাখ্যা করে “হুম ওরা দুইজন ই তো সাংবাদিক ছিল, মনে হয় কোন দূর্দান্ত বিষয় পেয়ে যায় রিপোর্ট করার জন্য। কিন্তু দুইজন তো আর এক রিপোর্ট করতে পারে না, তাই একজনকে মরতে হয়।” “কিন্তু, দুইবারের ময়না তদন্তের কোনো বারেই তো তো গুলি বা ছুরির কোন নমুনা পাওয়া যায়নি” প্রশ্ন ওয়াটসনের। “আরে বোকা,পাওয়া যাবে,পাওয়া যাবে, এমন চিন্তা করে তো আর ময়না তদন্ত করা হয়নি, সমস্যা নেই পাওয়া যাবে নবম বা দশম বারে ঠিক-ই পাওয়া যাবে।” উত্তর দেয় হোমস।

“আচ্ছা ইলিয়াস সাহেবের ব্যাপারটা কি, কোথায় উনি?” আবার প্রশ্ন করে ওয়টসন। “হুম আছেন, কোথায় আর যাবেন? তবে অদৃশ্য হয়ে গেছেন। “দ্য ইনভিজিবল ম্যান” পড় নাই? তোমার তো আবার পড়াশোনা কম। এক দুষ্ট বৈজ্ঞানিকের ঔষধে ওনার এই অবস্থা। ঠিক হয়ে যাবে এন্টি-ঔষুধ খেলেই ঠিক হয়ে যাবে।”

“আর রেলের কালো বিড়ালের বিষয়টা কি আসলে?” প্রশ্ন করে ওয়াটসন।“ও, ওটা তো ডিজিটাল ঘটনা।” হোমস উত্তর দেয়।“মানে? কিছুই মাথায় ঢোকেনা ওয়াটসনের।“আরে এখন গাড়িতে কিসব ট্র্যাকিং ডিভাইস লাগায়না? এ পি এস এর গাড়ির ডিভাইসে মনে হয় এক্সট্রা কিছু এন্টি-দুর্নিতি সেন্সর ছিল। ড্রাইভার সাহেব হয়তো ওটা বন্ধ করতে ভুলে গিয়েছিলো আরকি,তাই গাড়িটা নিকটস্থ চেক পয়েন্টে রিপোর্ট করে।” হোমস বলে চুরুট টানতে টানতে।

You are not a follower
Follow?
 Tags: