Kothay Tip!!!

Did you know your participation in Blog posts can get you points? Create, Like, and Comment to increase your points!!! Also, get a chance to win exciting prizes by participating in the kothay competition. Click here for more! Register or Sign in now to enjoy!!!



Tags
(8)  সুপার কম্পিউটার (1)  shambazar (1)  বাইতুল আমান জামে মসজিদ (1)  ঢাকার ঐতিহ্য (2)  পুরান ঢাকা (1)  old dhaka (2)  ঢাকা (1)  শীমঙ্গল (1)  ধান্দাবাজি (1)  ফরাসগঞ্জ (1)  লজ্জা (1)  hacking (1)  hack (1)  nikond800 (1)  farasgganj (1)  হ্যাকিং (1)  sat masjid (1)  ঈদ (1)  লাউয়াছড়া (1)  hacker (2)  বাইসাইকেল (1)  bangladesh (6)  সাহিত্য (1)  crazy photographers (1)  photographer (1)  travel (6)  visit (6)  মোঘল স্থপত্য শিল্প (1)  ঐতিহ্য (1)  বরিশাল (1)  শ্যামবাজার (1)  ধূমপান (1)  armanian charse (1)  পুরান ঢাকা (1)  সিলেট (1)  রূপলাল হাউজ (1)  ইফতার (1)  এয়ারটেল ফটোবাজ (1)  ঈদ (1)  ভ্রমণ (1)  ঐতিহ্য (1)  মাদক (1)  সাইক্লিং (1)  21 february (1)  ১৯৫২ (1)  (3)  ফটোগ্রাফি (3)  photography (11)  ড্রাগস (1)  আরমানিটোলা গির্জা (1)  photowalk (1)  আম জনতা (1)  ফটো স্টোরি (1)  আরমানিয়ান গির্জা (1)  locking safesearch (1)  লালবাগ কেল্লা (1)  তারা মসজিদ (1)  ২১ (1)  kevin carter (1)  cycle (1)  dhaka (6)  bdcyclists (1)  গুগল সেফসার্চ লকিং (1)  আহসান মঞ্জিল (1)  হেরোইন (1)  নিকোটিন (1)  super computer (1)  হ্যাকার (1)  armanian church (1)  ভাষা (1)  ruplal house (1)  tara masque (1)  photoblog (1)  architecture (6)  চকবাজার (1)  hacking (1)  চড়ক পূজা (1)  ফেব্রুয়ারি (1)  সাত গম্বুজ মসজিস (1)  history (6) 


RECENT ACTIVITIES
View All
Aug. 22, 2012, 3:39 p.m.  anupam_shuvo received a praise for রূপলাল হাউজে একটা দিন and gained 2 points     View
July 17, 2012, 5:45 p.m.  anupam_shuvo received a praise for রূপলাল হাউজে একটা দিন and gained 1 point     View
July 17, 2012, 5:45 p.m.  gorky liked রূপলাল হাউজে একটা দিন and gained 1 point     View
June 23, 2012, 7:47 p.m.  anupam_shuvo updated the blog: রূপলাল হাউজে একটা দিন     View
June 22, 2012, 6:14 p.m.  anupam_shuvo created a blog: রূপলাল হাউজে একটা দিন and gained 5 points     View

রূপলাল হাউজে একটা দিন

Posted by anupam_shuvo on on April 30, 2012, 11:54 a.m.  

রূপলাল হাউজ। কিছুদিন আগে ঢাকার ইতিহাস পড়তে গিয়ে নামটা চোখে পড়ে। আর, তখন থেকেই ইচ্ছা ছিলো নিজে গিয়ে বাড়িটা দেখার। খোঁজাখুজির পরে জানলাম, এটা ফরাসগঙজের শ্যামবাজার এলাকায় অবস্থিত। অবশেষে, হাজির হয়ে গেলাম শ্যামবাজারে। কিন্তু সমস্যা হল....কেউই সঠিক করে রূপলাল হাউজের অবস্থান বলতে পারে না। দু’ একজন যাও বা বলছে তা নিয়েও তৈরী হতে থাকে বিভ্রান্তি। কারন, এক একজন এক এক দিকে দেখিয়ে দিচ্ছিলো। যাই হোক অবশেষে খুঁজে পেলাম রূপলাল হাউজ। গিয়ে মনে হল....আমি কোন পুরাতন বাড়িতে আসিনি। এসেছি, কোন মসলার আড়ৎ এ।

যাই হোক, বাড়ির ভেতরে ঢুকতে গিয়ে হল আর এক বিপত্তি। কেন আসছে? কোথা থেকে আসছেন? কেন ছবি তুলবেন ? এমন হাজারো প্রশ্ন। শুনে মাথা গরম হচ্ছিলো ঠিকই.... কিন্তু বাধ্য হয়ে হাসিমুখে সব কথার উত্তর দিচ্ছিলাম। (বেশীরভাগ উত্তরই ছিলো আজগুবি)। অবশেষে, বাড়ির দারোয়ার সাথে কথা বলে ঘুরে দেখার সূযোগ বের করতে হল।

রূপলাল হাউজের পেছনের কথা....

প্রতিপত্তি আর আভিজাত্যের বহিঃপ্রকাশের প্রতীক হিসেবে রূপলাল দাশ নির্মাণ করেছিলেন রূপলাল হাউজ। রূপলালের আদি নিবাস বুড়িগঙ্গার অপর পারে শোভড্যা গ্রামে। তার দাদা মথুরানাথ পোদ্দার ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে শুরু করেন পোদ্দারি ব্যবসা। তিনি তখন বাট্টা দিয়ে টাকা, আধুলি, সিকি ইত্যাদি মুদ্রা ভাঙ্গিয়ে দিতেন। মথুরানাথ তখনকার দিনে প্রতিদিন বাংলা বাজারে রাস্তার উপর চট পেতে টাকা ভাঙানোর দোকান সাজিয়ে বসতেন। তৎকালিন পূর্ববঙ্গে বাংলাবাজার ছিল পয়সা লগ্‌নি ও টাকা বিনিময়ের কেন্দ্র। মেধা ও শ্রমের মাধ্যমে মথুরানাথ খুব অল্প সময়ে অসম্ভব সফলতা অর্জন করেন। তখন তিনি রাস্তার দোকান উঠিয়ে বাংলা বাজারে জমি কিনে নিজস্ব দোকান দিয়ে বসেন । পরে তিনি মুদ্রা ভাঙানোর কাজ ছেড়ে দিয়ে লগ্নী ও হুণ্ডীর কারবারে নামেন। ইতিহাস থেকে জানা যায়, মথুরানাথ তৎকালিন এক টাকায় বছরে ৫৭০ টাকা শোধ নিতেন[সূত্র]। ব্যবসার ধারাবাহিক উন্নতির ফলে ক্রমেই মথুরানাথ ঢাকার শ্রেষ্ঠতম ধনাঢ্য হিন্দু ব্যবসায়ীতে রূপান্তরিত হন। ১৮৬০ এর দশকে সামাজিক প্রভাব বাড়ানোর লক্ষ্যে মথুরানাথের পুত্ররা জমিদারিও কিনতে শুরু করেন। মথুরানাথের ছিল দুই পুত্র। স্বরূপ চন্দ্র দাস এবং মধুসূদন দাস। স্বরূপচন্দ্রের পুত্র (মথুরানাথের পৌত্র) রূপলাল দাস ফরাসগঞ্জে ভিক্টোরিয়ান স্টাইলে একটা বিশাল জমকালো বাড়ি নির্মাণ করেন।

তিনি নিজের নামে এর নাম দেন রূপলাল হাউজ। অধিকাংশ ইতিহাস বেত্তাদের মতে, ঊনিশশতকের ষাটের দশকে রূপলাল আরাতুন নামের এক আর্মেনীয় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একটি পুরনো ভবন ক্রয় করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি এ ববনটি মার্টিন এন্ড কোং কোম্পানির একজন স্থপতিকে দিয়ে পুনঃনির্মাণ করেন এবং এর নাম দেন রূপলাল হাউজ। রূপলাল হাউজ সম্পূর্ণ ভিন্ন স্থাপত্যরীতির দুটি অসমান বস্তুকে বিভক্ত একটি দ্বি-তল প্রাসাদ। এটি প্রায় ৯১.৪৪ মিটার দীর্ঘ। বাড়িটির পেছনে বয়ে চলা বুড়িগঙ্গা নদী থেকে এর সৌন্দর্য উপভোগ করা যেত। রূপলাল হাউজ ঔপনিবেশীক আমলে প্রবর্তিত পরবর্তী রেঁনেসা যোগের ইউরোপীয় স্থাপত্যের এক চমৎকার উদাহরণ। এর গঠন কাঠামো আলফাবেট ‘E’ আকৃতির। যার তিন বাহু নগরের দিকে প্রসারিত। মাঝের বাহুটি সবচেয়ে বড়। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ১৮.৩৩ মিটার।

এ ভবনটির ছাদ নির্মিত হয়েছিল কোরিনথীয় স্টাইলে। এর উপরে রয়েছে পেডিমেন্ট। যা রেঁনেসাযোগীয় পেডিমেন্টের অনুকরণে নির্মিত, দ্বিতীয় তলায় দুটি বস্নকে বিভিন্ন আয়তনের মোট ৫০টিরও বেশি কক্ষ রয়েছে। কথিত আছে যে সেই সময়কার বিদেশীগন ঢাকায় আসলে রুপলাল হাউজে ভাড়া করে থাকতেন। সেই যুগে রুম প্রতি ভাড়া প্রদান করতেন ২০০টাকা। এ ঘরের মেঝে ছিল কাঠের। পুরো বাড়ি জুড়ে উত্তর দক্ষিণপাশে রয়েছে প্রশস্ত বারান্দা। বারান্দা দুটি সেমি-কোরিনথীয় স্তম্ভ বা সমায়ত ইটের থামের উপর স্থাপিত। এ স্তম্ভ বা থামসমূহের উপর বিভাজিত, ত্রিপদ খিলান ছিল। তৎকালীন ঢাকার নবাব বাড়ি তথা আহসান মঞ্জিলের সাথে তুলনা করার মতো একমাত্র বাড়ি ছিল রূপলাল হাউজ। গ্রীক স্থাপত্য শৈলীতে এসেছিল এক অমর নতুনত্ব। তৎকালীন ঢাকার কোনো বাড়িতে ছিল না।

রূপলাল হাউজের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বাড়ির উপরে মাঝখানে স্থাপিত একটা প্রকান্ড ঘড়ি, যা ঢাকা শহরের সম্মুখভাগের সমস্ত নদী বা খাল থেকে দেখা যেত। নৌ-পথে চলাচলকারী মাঝি বা নৌকারোহীগণ এ ঘড়ি দেখে সময় নির্ধারণ করতেন। ১৮৯৭ সালের দিকে হঠাৎ ভূমিকম্পে ঘড়িটির চূড়া ভেঙে গেলে পরবর্তী সময়ে তা আর মেরামত করা হয়নি। ১৮৮৮ সালে ভারতের ডাইসরয় লর্ড ডাফরিন ঢাকা সফরকালে রূপলাল হাউজে আসেন। তার সম্মানে রূপলাল বল নাচের আয়োজন করেছিলেন। বাংলা ভাষাভাষীদের গর্বের ধন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রূপলাল হাউজে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছিলেন। বাউন্ডেলে যাযাবর দুখু নজরুল, নিজ অসম প্রতিভার পরিবেশনায় রূপলাল হাউজ মাতিয়েছিলেন। এক সময় রূপলাল হাউজ থেকে শান্তি নামে একটি পত্রিকা বের হতো। পরবর্তী সময়ে তার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। বিশ শতকের প্রথম দশক থেকেই রূপলাল হাউজের জৌলুস কমতে শুরু করে। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় রূপলালের উত্তরাধিকারীরা কলকাতায় চলে যান।

এতো গেল রূপলাল হাউজের ইতিহাস। কিন্তু এখন কেমন আছে রূপলাল হাউজ ? ইতিহাসের সাথে বর্তমান রূপলাল হাউজের আকাশ পাতাল ব্যবধান। দিন দিন দেয়াল থেকে চুন সুড়কির আস্তরণ খসে পড়ছে। ভবনের অনেকটা অংশ ভেঙেও গিয়েছে। দেয়ালে গজিয়েছে বটগাছ। উপরে ওঠার সিঁড়িগুলোও ভাঙা। এইরকম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়ও সেখানে বসবাস করছে বেশ কিছু পরিবার। কিন্তু, ভবনটি সংস্কারের কোন উদ্যোগ কোথাও চোখে পরলো না। ভবনের নিচে গড়ে উঠেছে মসলার বাজার। সবশেষে একটা তথ্য দিয়েই শেষ করি, রূপলাল হাউজের বর্তমান বাসিন্দারা সাধারণত বাইরের কারো সাথে যোগাযোগ করতে চায় না কিংবা আগ্রহ দেখায় না। কারনটা সহজেই অনুমেয়.....

রূপলাল হাউজের আরো কিছু ছবি.....

You are not a follower
Follow?
 Tags:  architecture   shambazar   history   ফটোগ্রাফি   farasgganj   dhaka   রূপলাল হাউজ   travel   ruplal house   ফরাসগঞ্জ   photography   visit   শ্যামবাজার   bangladesh