Kothay Tip!!!

Did you know your participation in Blog posts can get you points? Create, Like, and Comment to increase your points!!! Also, get a chance to win exciting prizes by participating in the kothay competition. Click here for more! Register or Sign in now to enjoy!!!





RECENT ACTIVITIES
View All
Aug. 21, 2012, 12:17 a.m.  shifat received a praise for ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!! and gained 2 points     View
Aug. 21, 2012, 12:17 a.m.  shifat liked ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!! and gained 1 point     View
Aug. 15, 2012, 8:52 p.m.  shifat updated the blog: ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!!     View
Aug. 15, 2012, 8:41 p.m.  shifat received a praise for ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!! and gained 2 points     View
Aug. 15, 2012, 8:41 p.m.  shifat liked ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!! and gained 1 point     View
Aug. 15, 2012, 8:41 p.m.  shifat created a blog: ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!! and gained 5 points     View

ঢাকা ছাড়তে তিন পথে দুর্ভোগ!!!

Posted by shifat on on Aug. 15, 2012, 8:52 p.m.  

রাজধানী ঢাকা থেকে বের হওয়ার পথ মাত্র তিনটি। গতকাল মঙ্গলবার শেষ সরকারি কর্মদিবস থাকায় দুপুরের পর থেকেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে মানুষ। দেশের পূর্বাঞ্চলের মানুষের সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে, উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের গাবতলী হয়ে এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও উত্তরবঙ্গের কিছু অংশের মানুষকে মহাখালী-বিমানবন্দর হয়ে ঢাকা ছাড়তে হচ্ছে। কিন্তু ঢাকার এই তিনটি মুখ দিয়ে পরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে গতকাল গিয়ে ট্রাফিক বিভাগের বাড়তি কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। যদিও নানা সমস্যার কারণে এই তিনটি পথে দুর্ভোগ ছিল, যা আজ থেকে আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা থেকে বের হওয়ার পথটি বড় বড় খানাখন্দে ভরা। আছে নির্মাণাধীন উড়ালসড়কের কারণে সৃষ্ট যানজট। গাবতলীর প্রবেশপথটি শুধু অব্যবস্থাপনা ও অপরিকল্পিত ব্যবহারের কারণে দুর্ভোগের কারণ হয়ে উঠছে। আর বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও উত্তরবঙ্গের কিছু অংশের যাতায়াতের পথটি মহাখালী থেকে শহরের ভেতর দিয়ে পাড়ি দিতে হয়। ফলে আসা ও যাওয়ার সময় অন্তত ১৪ স্থানে যানজটে পড়তে হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হক প্রথম আলোকে বলেন, একটি বড় শহরের মূল চরিত্র হচ্ছে তার চারদিকে প্রবেশ বা বের হওয়ার ব্যবস্থা থাকবে। সাইকেলের চাকার যেমন চারদিকে স্পোক থাকে, বড় শহরের প্রবেশ বা বের হওয়ার পথও তেমন থাকতে হয়। ঢাকায় সেটা নেই বলে সীমিত তিনটি পথের ওপর চাপ পড়ছে, যানজট হচ্ছে। তিনি বলেন, এই সমস্যার সমাধান করতে হলে প্রবেশপথ বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। তবে ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বিদ্যমান দুর্ভোগ কিছুটা কমিয়ে আনা সম্ভব। চট্টগ্রাম ও সিলেটগামীদের বা এই দুই এলাকা থেকে ঢাকায় আসার পথে আগে থেকেই কাঁচপুর সেতু দুর্ভোগের অপর নামে পরিণত হয়েছে। এর সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে সড়কের খানাখন্দ। যাত্রাবাড়ী-গুলিস্তান উড়ালসড়ক প্রকল্পের অধীন সড়ক ঠিকভাবে মেরামত না হওয়া যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। গুলিস্তান, ফকিরাপুল, আরামবাগসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে যাত্রী নিয়ে বাসগুলো এসেই এখানে আটকা পড়ছে। আগামী কয়েক দিনে এই অবস্থা আরও করুণ হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গাবতলী থেকে আমিনবাজার পর্যন্ত এক কিলোমিটারের মধ্যে সড়ক বিভাজক কেটে মূল সড়কের ওপর পাঁচ স্থান দিয়ে ট্রাক-বাস পারাপার করা হয়। ফলে মিরপুর মাজার রোড থেকে বের হয়েই যাত্রীরা আটকা পড়ে গাবতলী এসে। সরাসরি মূল সড়কে না উঠে বিকল্প পথে ট্রাক-বাস চলার জন্য মিরপুর সেতুর নিচ দিয়ে দুই প্রান্তে দুটি সড়ক করা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো দখল করে রেখেছেন ইট-বালুর ব্যবসায়ীরা। গাবতলী টার্মিনাল ও সংলগ্ন রাস্তার ভাঙাচোরা অংশ, কাদাপানিও এই দুর্ভোগে রসদ জোগাচ্ছে। বিমানবন্দর সড়ক ধরে বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও উত্তরের কিছু অংশের যানবাহনগুলো বেরোনোর সময় কমপক্ষে ছয় জায়গায় এবং প্রবেশের সময় অন্তত আটটি জায়গায় আটকা পড়ছে। সড়কের দুরবস্থা ও ট্রাফিক অব্যবস্থাপনা এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলেছে। বৃহত্তর ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ দেশের উত্তরাঞ্চলের যাত্রীবাহী পরিবহনগুলোকে রাজধানীতে ঢোকার আগে গাজীপুর চৌরাস্তা, টঙ্গীর চেরাগআলী, স্টেশন রোড, উত্তরার আবদুল্লাহপুর মোড়, কুড়িল বিশ্বরোড, স্টাফ রোড, বনানী ও মহাখালী রেল ক্রসিং—এই আট জায়গায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা থাকতে হয় যানজটে। আবার মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বেরোনোর সময় স্টাফ রোড, কুড়িল ও আবদুল্লাহপুর ছাড়া বাকি পাঁচ জায়গায় অসহ্য দুর্ভোগ পোহাতে হয়। আশুলিয়া সড়কের বাইপাইলেও দীর্ঘ যানজট হয় প্রতিদিন।

You are not a follower
Follow?
This post was billed under the category Documentary
 Tags:  documentary   news